তাজা খবর:
Home / ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রশ্ন নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সরানো প্রক্রিয়া কেন?

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রশ্ন নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সরানো প্রক্রিয়া কেন?

দলটি দাবি করেছে, নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সরকারি ওই কর্মকর্তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নানা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন বুধবার গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক, ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়। সেই সঙ্গে ঢাকার রমনা, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি ও ঠাকুরগাঁও সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশও দেওয়া হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার ঢাকায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, ‘অসত্য’ অভিযোগের ভিত্তিতে ইসি এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, “নির্বাচন কমিশনের এই এখতিয়ার অবশ্যই রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছে, তারা আত্মপক্ষের সমর্থন দেওয়ার সুযোগ হতে বঞ্চিত হয়েছেন।” তিনি বলেন, “একজন অভিযোগ করলেই, তার সত্যতা যাচাই বাছাই না করে, তাকে প্রত্যাহার করা বা তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার আগে অন্য পক্ষের বক্তব্য শোনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আরও যতœবান হবেন, আরও সতর্ক হবেন বলে আমরা আশা করি।” বিএনপি নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্য থেকে নানা ‘মিথ্যাচার’ করছে বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের নেতা রহমান। তিনি বলেন, “গত কয়েকদিন ধরেই বিএনপি নেতাকর্মীদের কথাবার্তা, আচার-আচরণে নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের বিষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাতেই প্রতিয়মান হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এক ধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টির দুরভিসন্ধিতে লিপ্ত। “তাদের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, প্রজাতন্ত্রের পেশাদার ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ছড়ানো অপপ্রচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহকে বিতর্কিত করা এবং সন্ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে জনমনে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভীতি ও বিভ্রান্তিসৃষ্টি করাই যেন বিএনপির মূল লক্ষ্য।” ‘মুজিব কোট’ পরে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ করছে বলেও দাবি করেন রহমান। সংবাদ সম্মলেনে রহমানরে সঙ্গে ছলিনে আওয়ামী লীগরে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবরি নানক, শক্ষিা ও মানবসম্পদ বষিয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, বজ্ঞিান ও প্রযুক্তি বষিয়ক সম্পাদক আব্দুর সবুর, উপ দপ্তর সম্পাদক বপ্লিব বড়ুয়া, কন্দ্রেীয় র্কাযনর্বিাহী সদস্য মাহরুফা আখতার পপ।ি