তাজা খবর:
Home / breaking / প্রথম ডোজেই কমবে করোনার ঝুঁকি – বৃটিশ গবেষণার ফলাফল ।
প্রথম ডোজেই কমবে করোনার ঝুঁকি – বৃটিশ গবেষণার ফলাফল ।

প্রথম ডোজেই কমবে করোনার ঝুঁকি – বৃটিশ গবেষণার ফলাফল ।

আল রাকিবঃ ৩ লাখ ৭০ হাজার যুক্তরাজ্যের মানুষের করোনা পরীক্ষার ভিত্তিতে গবেষণাটি পরিচালিত করা হয়।
গবেষকরা বলেন, অন্য সব বয়সীদের মতো ৭৫ বছর এর বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রেও টিকা সমান ভাবে কাজ করে। দ্য অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস (ওএনএস) ও ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের গবেষণায় অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ডের টিকা নেওয়ার পর প্রায় সব বয়সী মানুষদের শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিবডির খোঁজ পেয়েছে। দুটি টিকা নেওয়ার পর নর্দিষ্টি সময়ের মধ্যে কার্যকর প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে , অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা অথবা ফাইজার-বায়োএনটেকের ১ম ডোজ টিকা নেওয়ার পর মানুষের মধ্যে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৬৫ শতাংশ কমে গেছে। আর যাঁরা ফাইজারের টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, তাঁদেরও সংক্রমণের ঝুঁকি ৯০ শতাংশ কমেছে বলা হয়ছে। কিন্তু অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ক্ষেত্রে এ ধরনরে কোন তথ্য দেওয়া সম্ভব হয়নি। বরং, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার কর্মসূচি দেরিতে শুরু হওয়ায় এখনো র্পযন্ত অল্পসংখ্যক মানুষ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে পেরেছেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের (বি ১১৭) কেন্ট ধরনটির বিরুদ্ধে দুটি টিকাই কার্যকর। করোনার নতুন এ ধরনের সংক্রমণ যুক্তরাজ্যেও ছড়িয়েছে।

জ্যেষ্ঠ গবেষক ড. কোয়েন পোয়েল (ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের নাফিল্ড ডিপার্টমেন্ট অব পপুলেশন হেলথ), তিনি বলনে টিকা নেওয়া ব্যাক্তি আবার করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হবার সম্ভনা আছে। অন্যরাও তাঁদের থেকে এতে সংক্রমিত হতে পারেন। এই কারণে তিনি মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মনেে চলা ও প্রয়োজনীয় নিয়ম কানুন মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেন।

তবে গবেষক পোয়েল আরও বলেন, তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবা যেতে পারে, টিকার দুইটি ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানোর ব্যাপারে। তিনি আরও বলেন, টিকার একটি ডোজ নেওয়ার পর করোনার নতুন সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার যে তথ্য পাওয়া যায়, তা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। এ ব্যবধান ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে।

দ্বিতীয় গবেষণাটি প্রায় ৪৬ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর চালানো হয় যারা টিকার একটি ডোজ নিয়েছেন, এমন । এতে করে প্রায় টিকা নেওয়া সব বয়সী মানুষের শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়। গবেষকরা জানিয়েছেন,  ১০ সপ্তাহ পর্যন্ত এই অ্যান্টিবডি মানুষের শরীরে কার্যকর থাকতে পারে। এতে প্রমাণতি টিকা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উদ্দীপ্ত করে।

গবেষণায় বলা হয়ছেে , যে ফাইজারের দুটি ডোজ সব বয়সীদের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে। ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের তুলনায় এর কম বয়সীদের ক্ষেত্রে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বেশি কার্যকর। আরও একটি বিস্ময়কর তথ্য হলো, ৮০ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ফাইজারের টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বেশি কার্যকর করতে পারে কম বয়সীদের তুলনায় ।

সারাহ ওয়াল্কার (অধ্যাপক ও প্রধান গবেষক অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়) জানিয়েছেন, তিনি বলেন ‘আমরা এখনো জানি না, মানুষরে শরীরে অ্যান্টিবডি করোনাভাইরাস থেকে কত দিন পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে পারে। সারাহ ওয়াল্কার জানান, ভবিষ্যতে আরও গবেষণার মাধ্যমে তা জানা যাবে।

৭৪ শতাংশ সংক্রমণ কমেছে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে যাঁদের টিকা দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, টিকা নেওয়ার তিন সপ্তাহ পর থেকে করোনার উপর্সগ দেখা গিয়েছে আর উপসর্গবিহীন করোনার সংক্রমণ কমেছে প্রায় ৫৭ শতাংশ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Close