তাজা খবর:
Home / breaking / কান্দাহার বিমানবন্দরে রকেট হামলা, বিমান চলাচল বন্ধ

কান্দাহার বিমানবন্দরে রকেট হামলা, বিমান চলাচল বন্ধ

 

আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কান্দাহারের বিমানবন্দরে রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতের বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে তিনটি রকেট বিমানবন্দরে আঘাত হানে বলে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রোববার (১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

হামলার ফলে একপর্যায়ে বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাসহ সকল বিদেশি সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়ার মধ্যেই দেশজুড়ে বিদ্রোহীগোষ্ঠী তালেবানের হামলা জোরদারের মধ্যেই কান্দাহার বিমানবন্দরে রকেট হামলার এই ঘটনা ঘটল।

কান্দাহার বিমানবন্দরের প্রধান মাসউদ পাশতুন এএফপি’কে বলেন, ‘গত রাতে বিমানবন্দরে তিনটি রকেট আঘাত হেনেছে। এরমধ্যে দু’টি রকেট রানওয়েতে আঘাত হানে। যার কারণে বিমানবন্দর থেকে শিডিউল অনুযায়ী নির্ধারিত সকল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।’

পাশতুন আরও বলেন, রানওয়ে মেরামতের কাজ চলছে এবং রোববার দিনের শেষ ভাগে বিমানবন্দরের কার্যক্রম ফের শুরু হতে পারে বলে আমরা আশা করছি।

রাজধানী কাবুল থেকে আফগান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা এই হামলার কথা স্বীকার করেছেন।

এদিকে সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টায় আফগানিস্তানের দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি প্রধান শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র তালেবান যোদ্ধাদের তুমুল লড়াই চলছে। শনিবারের অনলাইন প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে বিবিসি।

তালেবান যোদ্ধারা কান্দাহার, হেরাত ও লস্কর গাহ শহরের অংশে ঢুকে পড়েছে। দুই পক্ষের তুমুল লড়াই চলছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিদেশি সেনাদের আফগানিস্তান ছাড়ার ঘোষণা আসার পর তালেবান ক্রমশ গ্রামীণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।

তবে দেশটির প্রধান শহরগুলোর ভাগ্য নিয়ে ভীষণ উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উভয়পক্ষ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সরকারি সেনারা কতদিন নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে সেটাই বড় প্রশ্ন। স্থানীয়রাও বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছেন।

বিবিসি বলছে, তালেবান মিলিশিয়ারা ইতোমধ্যে অর্ধেক আফগানিস্তান নিজেদের দখলে নিয়েছে। এর মধ্যে প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও ইরানের সঙ্গে ‌‘বর্ডার ক্রসিং’ রয়েছে। তবে তালেবান অবশ্য দেশের ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Close