তাজা খবর:
Home / breaking / নিরবে নির্ভীতে আর্তমানবতার সেবায় একটি আদর্শের নাম তাহমিনা আহমেদ
নিরবে নির্ভীতে আর্তমানবতার সেবায় একটি আদর্শের নাম তাহমিনা আহমেদ

নিরবে নির্ভীতে আর্তমানবতার সেবায় একটি আদর্শের নাম তাহমিনা আহমেদ

দানশীলতার বিষয়টি আলোচিত হলে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশ্ববরেণ্য দাতা হাতেম তাই, হাজী মোহাম্মদ মুহসীন, স্যার সলিমুল্লাহ খান, নবাব হাবিবুল্লাহ প্রমুখের নাম। যাদের দান ও মহত্ত্ব ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে আছে। ইতিহাসের পাতায় তাদের প্রত্যেকের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে । তাঁরা শত প্রতিকূলতার মাঝে থেকেও নিয়মিতভাবে মানবজাতির কল্যাণে নিজেদের সদা ব্রত রেখেছিলেন । দান করার সময় ওনারা কখনোই কোন স্বার্থের দিকে লক্ষ্য রাখেনি ।

করোনাকালীন বর্তমান বিশ্বে প্রায় অনেকেই বলে থাকেন যে, “এ যুগে নাকি প্রকৃত দানশীল বা দানশীলা ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না” । আবার অনেকেই সচরাচর বলে থাকেন যে, “বর্তমান সময়ে নাকি মানবতা বিলুপ্ত হয়ে গেছে”। কিন্তু আবার অনেকেই এই ভ্রান্ত ধারণার সাথে একমত না।

আমরা এখন এমন একজন দানশীলা মানুষ নিয়ে আলোচনা করবো যার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানলে আপনারা আমাদের সাথে একমত পোষণ করবেন এই বলে যে , “ আলহামদুলিল্লাহ্‌, পৃথিবীতে এখনো কিছু দানশীলা মানুষ আছেন” যারা গোপনে নির্ভীতে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন, যাদের জন্য এখনো সমাজের অবহেলিত মানুষগুলো স্বপ্ন দেখে যায় । যাদের জন্য দুঃখ ভারাক্রান্ত মানুষগুলো বেঁচে থাকার তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাহস পায়, দানশীলা তাহমিনা আহমেদ এর মহানুভবতা ও দানশীলতা ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছেন এবং তাকে বিভিন্ন মহল থেকে ভূয়সী প্রশংসা করছেন ।

বলছি এ যুগের মহান দানশীলা ও পরোপকারী মানুষ ‘ তাহমিনা আহমেদ ’ এর কথা ।দানশীলা ব্যক্তিদের মধ্যে অগ্রগণ্য হিসেবে ‘তাহমিনা আহমেদ ’ বিবেচিত হয় । এই মহান মানুষটির জন্ম হয়েছে পাবনা জেলায় । এ যুগের দানশীলা মানুষদের মধ্যে তাহমিনা আহমেদ একজন, তাহমিনা আহমেদ সৌদি এয়ারলাইন্সের দীর্ঘ 20 বছর যাবৎ চাকরিরত অবস্থায় আছেন জীবনের অনেকটা সময় দেশের বাইরে থাকলেও একটি বারের জন্যও ভুলে যাননি প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের কথা । নিজে পরিবারবর্গ সবাই মিলে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ান। সৎপথে উপার্জন করা এই মানুষটি এখন পর্যন্ত কতো মানুষকে আর্থিকভাবে সাহায্য করছেন তার সঠিক হিসেব বের করা বড়ই কষ্টসাধ্য ব্যাপার । নীরবে নিভৃতে দান করে গেছেন তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী । মানুষের দুঃখ কষ্ট তিনি সহ্য করতে পারেন না । মহা মানব নবী করিম(সঃ) সহ পবিত্র ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন সময়ে আসা নবী-রাসুলদের বুকে ধারণ করে ‘তাহমিনা আহমেদ ’ এগিয়ে যাচ্ছেন স্বমহিমায় ।

যারা সৎপথে উপার্জন করেও মানবতার প্রশ্নে সদা মূর্তপ্রতীক হতে চায় তাঁদের কাছে তাহমিনা আহমেদ ’ একটি আদর্শের নাম । তিনি সবসময়ই নীরবে দান করতে পছন্দ করেন । গরিব অসহায়দের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মাঝেই তিনি প্রকৃত সুখ পান । মানবতার প্রশ্নে তিনি কখনো আপোষ করেন না ।

করোনাকালীন এই সময়ে গরীব অসহায় দুঃস্থ মানুষদের কে প্রায় অর্ধকোটি টাকা দান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে, খাবার সামগ্রী, নগদ টাকা, এবং অস্বচ্ছল পরিবারের জন্য গরু ছাগল এবং ভ্যান কিনে দিয়ে মানুষের আয়ের এর উৎস করে দিয়েছেন তাহমিনা আহমেদ, যার মধ্যে নাটোর শহরের বিভিন্ন জায়গায় অসহায় মানুষদের দিয়েছেন এবং নিজ জন্মভূমি পাবনাতে, ঢাকা আদাবর, শেখেরটেক, রাজধানীর আগারগাঁও বস্তির শত শত মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন তাহমিনা আহমেদ এবং প্রতিনিয়ত দান করে যাচ্ছেন এই দানশীলা তাহমিনা আহমেদ।

দানশীলা তাহমিনা আহমেদ তার এই মহান কর্মযজ্ঞ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “সৎপথে চলতে গেলে বেশি অর্থের পাহাড় বানানোর প্রয়োজন পড়ে না । আমি আমার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব মানবিক হতে পারি তাতেই এ পৃথিবীর অনেক কল্যাণ সাধিত হবে, আমার বাবা আহমেদ বশির সর্বদা অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতেন বাবার থেকেই শিক্ষা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, তিনি বলেন আমার বাবা ছিলেন একজন পরোপকারী ও দেশ প্রেমিক মানুষ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আমার মাও ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, পিতামাতার আদর্শ বুকে ধারন করে ছোট থেকেই মানুষের সেবা করার ইচ্ছা পোষণ করি, পিতামাতার আদর্শের কারণে মানুষের সেবায় আজ আমি দাঁড়িয়েছে, মানুষের সেবা করে যেতে চাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত । বিত্তবানরা তাঁদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামান্য অবদান রাখলেই গরিব অসহায় মানুষগুলো বেঁচে থাকার স্বাদ পাবে আর তাতেই এ বিশ্ব আরো সুন্দরতম হবে ।’’

প্রচার বিমুখ দানশীলা তাহমিনা আহমেদ আরো বলেন আমাকে নিয়ে নিউজ করতে হবে না আমি সাধারণ আর মানুষ মানুষের জন্য মানুষ আমাকে ভালোবাসে মানুষের এই ভালোবাসা মানুষের দোয়ার কারণেই আমি মানুষের সেবা করে যাবো ইনশাআল্লাহ “গরিব অসহায়দের মাঝে শুধুমাত্র অর্থ সম্পদ বিলিয়ে দেয়ার নামই দান নয়, প্রতিটি ভালো কাজই এক একটি দান। তাই সবাই তাঁর নিজের যা সামর্থ্য হয় তা নিয়েই অবহেলিত মানুষগুলোর পাশে থাকা উচিৎ । তাহলে , আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারবো ।”

আমরা এ যুগের এই মহান দানশীলা মানুষটির জন্য দোয়া করি যাতে তিনি এভাবেই আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গরীব ও অসহায় মানুষের সেবা করে সমাজ ও দেশকে আলোকিত করতে পারেন আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Close