তাজা খবর:
Home / breaking / বাসযোগ্যতার সূচকে ১৭২টি শহরের মধ্যে ঢাকা ১৬৬তম
বাসযোগ্যতার সূচকে ১৭২টি শহরের মধ্যে ঢাকা ১৬৬তম

বাসযোগ্যতার সূচকে ১৭২টি শহরের মধ্যে ঢাকা ১৬৬তম

আমাদের সংবাদ ডেস্ক:

বাসযোগ্যতার সূচকে এ বছর ঢাকার স্কোর ১০০ নম্বরে মধ্যে ৩৯ দশমিক ২। আগের বছর প্রাপ্ত স্কোর ছিল ৩৩ দশমিক ৬। মহামারিসংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার কারণে স্কোর বেড়েছে বলে জানিয়েছে ইআইইউ।

শহরগুলোর স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ইআইইউ বাসযোগ্যতার এ তালিকা তৈরি করে থাকে।

তালিকার একেবারে তলানিতে আছে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। অবশ্য তলানিতে থাকা ১০টি শহরের মধ্যে অবকাঠামোতে সবচেয়ে কম স্কোর ঢাকার—মাত্র ২৬ দশমিক ৮।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ইআইউর এই তালিকা প্রকাশ ধাক্কা খায়। ২০২০ সালে তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। পরের বছর তালিকায় শহরগুলোর অবস্থান ব্যাপক ওলটপালট হয়। কারণ, লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের মতো পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী শহরগুলোর সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার স্কোরকে প্রভাবিত করে।

তবে মহামারির বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় ২০২২ সালের সূচক অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। আগের বছর ১২তম স্থানে ছিটকে পড়া অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা আবার শীর্ষ স্থানে ফিরে এসেছে। লকডাউনের কারণে জাদুঘর ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে আগের বছর ইউরোপের শহরটির এই অবনমন হয়েছিল। ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও শীর্ষে ছিল ভিয়েনা।

আগের বছর শীর্ষ থাকা নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড এবার ৩৪তম স্থানে নেমে গেছে। মহামারির বিধিনিষেধের কারণে শহরটির এই ছিটকে পড়া বলে জানিয়েছে ইআইইউ।

তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছে কোপেনহেগেন। জুরিখ ও ক্যালগারি যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে। শীর্ষ ১০ শহরের বেশির ভাগই পশ্চিম ইউরোপ ও কানাডার শহর। শীর্ষ ১০ শহরের ছয়টি ইউরোপের।

তালিকায় তলানির দিক থেকে দ্বিতীয় হয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস (স্কোর ৩২.২)। আর ৩৪.২ স্কোর নিয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির অবস্থান তলানির দিক থেকে তৃতীয়। রাশিয়া হামলা করায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভকে তালিকায় রাখা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close