তাজা খবর:
Home / আমাদের সম্পাদকীয় / কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার, মেয়েদের এত বেশি ঝরে পড়া বিস্মিত করেছে
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার, মেয়েদের এত বেশি ঝরে পড়া বিস্মিত করেছে
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস ছালামের

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার, মেয়েদের এত বেশি ঝরে পড়া বিস্মিত করেছে

আমাদের সম্পাদকীয়;

মো. আবদুস ছালাম: দেখুন, এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা নবম শ্রেণিতে যখন নাম নিবন্ধন করেছিল, তখন করোনাকাল ছিল। ২০২০ সালে ওরা নাম নিবন্ধন করে। তখন ২ লাখ ২০ হাজার ২৮৯ জন নিবন্ধন করেছিল। কিন্তু এবার এসএসসি পরীক্ষায় নাম নিবন্ধন করে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৩ জন। এর মধ্যে ৩৭ হাজার ৬৪৬ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। তাদের মধ্যে ২৫ হাজার ৭৫৩ জন মেয়ে। ১১ হাজার ৮৯৩ জন ছেলে। মেয়েদের এত ঝরে পড়া আমাকে বিস্মিত করেছে। সরকার মেয়েদের উপবৃত্তি দিচ্ছে। মেয়েরা পরীক্ষা দিয়ে ভালো ফল করছে। আমার মতে, সিলেবাসের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, বাল্যবিবাহ, করোনাকালে পারিবারিক নানা ধরনের অসুবিধা কারও কারও থাকতে পারে। মানবিকের ১৮ হাজার ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ৬ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে না। বিজ্ঞান বিভাগে অবশ্য ঝরে পড়ার হার কম। আর পরীক্ষার্থী কমে যাওয়ার বিষয়ে বলছি, গত বছর এসএসসিতে ৯৬ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ফেল করেছে কম। যে কারণে পরীক্ষার্থীও কম। অন্যবার ফেল করা শিক্ষার্থীরা যুক্ত হয় বেশি। এবার কম।

প্রশ্ন: ঝরে পড়া রোধে করণীয় কী?

মো. আবদুস ছালাম: বোর্ডের একার পক্ষে এটা রোধ করা সম্ভব নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট মহলকে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। শহরের তুলনায় গ্রামে ঝরে পড়ার সংখ্যা অপেক্ষাকৃত বেশি। এটা নিয়ে স্কুলে স্কুলে সচেতনতামূলক কর্মশালা করা যেতে পারে। অভিভাবক-সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা করা যেতে পারে। তৃণমূলে এসব কাজ করলে ঝরে পড়ার হার কমবে।

প্রশ্ন: আপনাকে ধন্যবাদ।

মো. আবদুস ছালাম: আপনাকেও ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close